অধ্যক্ষ মোহেবুল্লাহ খান কর্তৃক শিক্ষকদের পদোন্নতি নিয়ে জালিয়াতি, অতঃপর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা কুমিল্লা অঞ্চলের প্রত্যাখ্যান।

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ

সম্প্রতি চাঁদপুর জেলার গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ইউনিভার্সিটি কলেজের শিক্ষকদের পদোন্নতি নিয়ে বড় ধরনের এক দুর্নীতি ও জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে। উক্ত দুর্নীতিতে সরাসরি জড়িত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্তে প্রমাণিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাষ্ট ও শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ, ১৯৯৯ সনে চাঁদপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের নাম-ধাম হীন শিক্ষকের জাল সীল ও জাল স্বাক্ষর দিয়ে নম্বর পত্র বানিয়ে নিজে ও স্ত্রী কানিজ ফাতেমার উক্ত কলেজে ইতিহাস ও দর্শন বিভাগে অবৈধ চাকুরী প্রাপ্তি ও এম.পি.ওতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা, একই শিক্ষাবর্ষে দুই রকম জন্ম তারিখ উল্লেখপূর্বক একাধিক সনদপত্র অর্জন, ভূয়া ডিগ্রী কলেজের অভিজ্ঞতা দেখিয়ে মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রতারণা মূলক জালিয়াতি পূর্ণ কাগজ পত্র দেখিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ২০০৬ সনে জোট-সরকারের রাজনৈতিক সহযোগিতায় রাষ্ট্রপতির ১০% কোটায় উক্ত কলেজ থেকে চাঁদপুর সরকারি কলেজে নিয়োগ প্রাপ্ত মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ খান(১৬৯৮৬) ০১/১০/২০১৪ তারিখে পুনরায় গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ইউনিভার্সিটি কলেজে যোগাদান করে একের পর এক দুুুুুর্নীতি করে যাচ্ছে।

তাহার এহেন দুর্নীতির প্রত্যক্ষ সহযোগী হিসেবে ছিলেন, উক্ত কলেজেরই পরিচালনা কমিটি ও অর্থ উপকমিটির সদস্য মোঃ খোরশেদ আলম পাটোয়ারী, পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ দেলোয়ার হোসেন ও ফরিদগঞ্জ উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শাহ আলী রেজা আশরাফি।

উল্লেখ্য যে গত ০৭/০৯/২০১৯ তারিখে অধ্যক্ষ মোহেব্বুল্লাহ খান উক্ত কলেজের শিক্ষকদের মধ্য থেকে সিনিয়রিটির ভিত্তিতে পদোন্নতি দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরিপেক্ষিতে শিক্ষকবৃন্দ নির্দিষ্ট ফরমের মাধ্যমে তাদের পদোন্নতির লক্ষে অধ্যক্ষের কাছে আবেদন করেন কিন্তু অধ্যক্ষ শিক্ষকদের আবেদনের বিষয়টি কলেজে যোগাদান ও এম.পি.ওর সিনিওরিটির ভিত্তিতে না করে অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে ২০১০ সনের শিক্ষানীতি অনুযায়ী না করে তার পূর্ব কু-পরিকল্পনা মোতাবেক সিনিয়র শিক্ষক জনাব, সঞ্জয় ভৌমিক (এম.পি.ও,০১/০৩/১৯৯৮) এর আবেদন অগ্রাহ্য করে উদ্ভিদ বিদ্যা বিভাগের শিক্ষক জনাবা, শাহনাজ বেগম(জুনিয়র শিক্ষক, এম.পি.ও তারিখ, ০১/০৫/১৯৯ ইং) কে পদোন্নতি দেওয়ার জন্য কাগজপত্র প্রস্তুত করেন এবং অধ্যক্ষ তার এধরনের দুর্নীতিকে জায়েজ করার জন্য কলেজ গভর্ণিং বডি ও অর্থ উপকমিটির সদস্য মোঃ খোরশেদ আলম পাটোয়ারী, পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ দেলোয়ার হোসেন ও ফরিদগঞ্জ উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ শাহ আলী রেজা আশরাফি সমন্বয়ে তিন জনের একটি তথা কথিত অবৈধ সুপারিশ কমিটি গঠন করেন। যা সম্পূর্ণ অনিয়মতান্ত্রিক এবং ওনারা শিক্ষকদের পদোন্নতি বিষয়ক নিয়মকানুন সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ। উক্ত তথাকথিত কমিটি অধ্যক্ষ মোহেব্বুল্লাহ খানের পূর্ব কু-পরিকল্পনাকে বাস্তবায়নার্থে গত ১৩/১১/২০১৯ তারিখে একটি হাস্যকর ও লোকদেখানো তদন্ত করে সুপারিশ সহ, সিমিয়র শিক্ষক জনাব সঞ্জয় ভৌমিক(প্রাণী বিদ্যা) এর সিনিয়রিটির বিষয়ে একপেশে ভাবে আপত্তি দেন। যা সম্পূর্ণ অবৈধ প্রক্রিয়ায় একজন সিনিয়র শিক্ষকের এম.পি.ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতি প্রাপ্যতাকে ০৪/০২/২০১০ সনের শিক্ষানীতির আলোকে অনিয়ম তান্ত্রিক ভাবে অগ্রাহ্য করা হয়েছে। জনাব, সঞ্জয় ভৌমিক অধ্যক্ষের এহেন দুর্নীতি ও অপকর্মের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা কুমিল্লা অঞ্চলের পরিচালক ও উপ-পরিচালক এর কাছে গত ২৯/১২/২০১৯ তারিখে আবেদন করায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য চাঁদপুর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জনাব মোঃ গিয়াস উদ্দিনকে দায়িত্ব দেন। উক্ত কর্মকর্তা তদন্তের বিষয়ে জনাব, সঞ্জয় ভৌমিককে কোন চিঠি  না দিয়েই তড়িঘড়ি করে উক্ত কলেজের অধ্যক্ষ এর যোগসাজশে জনাব সঞ্জয় ভৌমিককে কোন রকম প্রস্তুতি নেয়ার সুযোগ না দিয়ে গত ০৭/০১/২০২০ তারিখে হঠাৎ করে কলেজে এসে নিয়ম মাফিক তদন্ত সমাপ্ত করে একটি মনগড়া প্রতিবেদন পাঠালেও পূর্বেই জনাব সঞ্জয় ভৌমিক এর আবেদন ও আপত্তির প্রেক্ষিতে অধ্যক্ষ মোহেব্বুল্লাহ কর্তৃক শিক্ষক শাহনাজ বেগমের অবৈধ পদোন্নতি জনিত কাগজপত্র অগ্রাহ্য পূর্বক প্রত্যাখ্যান করেন। যা ছিলো উক্ত কলেজের অধ্যক্ষ মোহেব্বুল্লাহ খান কর্তৃক দুর্নীতি ও অনিয়মতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে কলেজ কর্তৃপক্ষকে চরম অপমানের শামিল।

উক্ত মোহেব্বুল্লাহ খান তার নোংরামি ও প্রতিহিংসাকে চরিতার্থ করতে রাতারাতি ২০১৯ সনের ডিসেম্বর মাস থেকে শিক্ষক হাজিরা খাতায় নভেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত যোগদান ও এম.পি.ও ভিত্তিতে শিক্ষকদের সিরিয়াল বিচ্ছিন্ন করে জনাব সঞ্জয় ভৌমিককে সরিয়ে সেখানে জনাব সুরেশ্বর বণিক(পদার্থ বিদ্যা বিভাগ), এবং তারপরেই পদোন্নতি জনিত বিতর্কিত শিক্ষক জনাব শাহনাজ বেগমকে স্থাপন করে নতুন শিক্ষক হাজিরা খাতা প্রস্তুত করেন। যা বাংলাদেশের কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এমনকি ঘটেছে কিনা কারো জানা নেই। ২০১৯ এর নভেম্বর পর্যন্ত শিক্ষক হাজিরা খাতায় যোগদান ও এম.পি.ওর ক্রমানুশারে জনাব সঞ্জয় ভৌমিক ছিলেন ৮ নাম্বারে এবং ডিসেম্বর ২০১৯ থেকে হয়ে গেলেন ১৮ নাম্বারে।

এদিকে উক্ত কলেজেরি সিনিয়র শিক্ষক জনাব শিব প্রসাদ নাথ(বাংলা বিভাগ) মাননীয় উচ্চ-আদালতে তার চাকরি সংক্রান্ত কলেজ কর্তৃক নেওয়া অবৈধ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মামলা করায় মাননীয় উচ্চ-আদালত গত ০৮/০১/২০২০ তারিখে ওনাকে চাকরিতে চলমান রেখে ওনার প্রাপ্য সবধরনের বকেয়া বেতন ভাতা তৎক্ষণাৎ দিয়ে দেওয়ায় জন্য কলেজ সভাপতিকে নির্দেশ দেন। এবিষয়ে মাননীয় উচ্চ-আদালতের রায় কার্যকর করার জন্য জনাব শিব প্রসাদ নাথ গত ১১/০১/২০২০১৮/০৩/২০২০ তারিখে কলেজ অধ্যক্ষের মাধ্যমে সভাপতি বরাবর দুইখানা আবেদন জমা দেন। সেই মোতাবেক যোগদান ও এম.পি.ও এর তারিখ অনুযায়ী (০১/১১/১৯৯৮) তিনি জনাব সঞ্জয় ভৌমিক এর পরেই ৯ নাম্বারে থেকে পদোন্নতি পাবার যোগ্য দাবিদার।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ২০০১ সনে তথাকথিত এক মামলায় উক্ত মোহেব্বুল্লাহ খান ষড়যন্ত্র করে ভূগোল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব দেলোয়ার হোসেন, জনাব সঞ্জয় ভৌমিক ও জনাব শিব প্রসাদ নাথকে ফাঁসিয়ে দিলেও ঐমামলার তদন্ত কর্মকর্তা তদন্তে মামলার ঘটনার সাথে এই তিন জন শিক্ষকের সংশ্লিষ্টতা না থাকায় মাননীয় আদালত তিন জন শিক্ষককে মোহেব্বুল্লাহ খানের ষড়যন্ত্র মূলক কথিত মামলা থেকে অব্যহতি দেন। সেই হিসেবে কলেজ কর্তৃপক্ষ উক্ত শিক্ষকগণের চাকরি তাদের যোগদান ও এম.পি.ও তারিখ থেকে নিয়মিত চলমান রেখে তাদের সকল বকেয়া পরিশোধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ওনারা ব্যাংক থেকে বকেয়া বেতন উত্তোলন করে নেন, (গভর্নিং বডির সভা নং-০৫, তারিখ ০১/০৮/২০০৩)। সেই সময় কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও বর্তমান অধ্যক্ষ উক্ত মোহেব্বুল্লাহ খান তারই তত্ত্বাবধানে ভূগোল বিভাগের শিক্ষক মোঃ দেলোয়ার হোসেনকে নিয়ম অনুযায়ী তার চাকরি বিরতিকাল বাদ না দিয়ে এম.পি.ও তারিখ ০১/০৩/১৯৯৮ থেকে ২৮/০২/২০০৬ পর্যন্ত ০৮ বছর গণনা করে আনুপাতিক হারে ২০০৬ সনে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেন। তাহলে সঙ্গত কারনেই প্রশ্ন উঠে যে, উক্ত জনাব দেলোয়ার হোসেন সাহেব যদি সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান তবে বাকী দুইজন শিক্ষক একই কারনে জনাব সঞ্জয় ভৌমিক ও শিব প্রসাদ নাথ এর এম.পি.ও তারিখ যথাক্রমে ০১/০৩/১৯৯৮০১/১১/১৯৯৮ থেকে ০৮ বছর গণনা করে সিনিয়র হিসেবে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি কেনো পাবে না? এরই মধ্যে একই তারিখে জনাব সঞ্জয় ভৌমিক ও জনাব সুরেশ্বর বণিক এর এম.পি.ও(০১/০৩/১৯৯৮) হলেও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে জনাব সুরেশ্বর বণিক সহকারী অধ্যাপক হিসেবে ইতিমধ্যেই পদোন্নতি পান।

এদিকে জনাব, দেলোয়ার হোসেন(ভূগোল), জনাব সঞ্জয় ভৌমিক, জনাব শিব প্রসাদ নাথ, এই তিন জন শিক্ষককে তাদের যোগদান ও এম.পি.ও তারিখ অনুযায়ী দুই বছরে ও ০৮ বছরের স্কেল দেওয়ার যে সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল সে সভায় উপস্থিত থেকে জনাব মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ খান সদস্য হিসেবে স্বাক্ষর করেন। সভার নং-০৬/০৩ তারিখ ১৪/০৮/২০০৩ ও সভা নং-০২/১০ তারিখ ১৮/০২/২০১০। কিন্তু দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ  স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়মতান্ত্রিকতার আশ্রয় নিয়ে সিনিয়র শিক্ষক জনাব সঞ্জয় ভৌমিক কে বাদ দিয়ে প্রতিহিংসা পূর্বক অধ্যক্ষের কু-পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য জনাব শাহনাজ বেগমকে পদোন্নতি দেওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। শুধু তাই নয়, অধ্যক্ষ তার স্ত্রী এ কলেজের দর্শন বিভাগের শিক্ষক কানিজ ফাতেমা যিনি জালিয়াতির মাধ্যমে জাল সনদপত্র ব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করার আগেই মোহেব্বুল্লাহ খানের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় কথিত স্বাক্ষাতকার পরীক্ষার জাল নম্বরপত্র তৈরী করে উক্ত কলেজে অবৈধ ভাবে যোগদানের মাধ্যমে এম.পি.ও ভুক্ত হন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্তে প্রমাণিত অবৈধ নিয়োগ ও এম.পি.ও প্রাপ্ত কানিজ ফাতেমাকে অসৎ উদ্দেশ্যে এম.পি.ওর ক্রমানুসারে শিক্ষক হাজিরা খাতায় নভেম্বর ২০১৯ এ ১৫ নম্বর থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে ১০ নম্বরে উঠিয়ে এনে ২০১৯ এর ডিসেম্বর থেকে অধ্যক্ষ নতুন শিক্ষক হাজিরা খাতা তৈরি করেন যা উক্ত কলেজের বড় ধরনের দুর্নীতি ও কলংক। আর এসব দুর্নীতি হচ্ছে কলেজ সভাপতির স্বাক্ষরে এবং জ্ঞাতসারে। সভাপতি জেনে শুনে কি করে এসব দুর্নীতি ও দুর্নীতিবাজকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন এটাই সবার কাছে প্রশ্ন।

এদিকে উক্ত কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের জনপ্রিয় শিক্ষক, জনাব মফিজুল ইসলাম ভূইয়া উক্ত মোহেব্বুল্লাহ খান এর বিরুদ্ধে ১০/০৪/২০১৯ তারিখে চাঁদপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মানহানীর মামলা করেন, যার নং- সি, আর ২৩৫/২০১৯ (ফরিদগঞ্জ)। উক্ত মামলায় মোহেব্বুল্লাহ খান বর্তমানে জামিনে আছেন এবং মামলা চলমান আছে।

এত কিছুর পরেও সবাই আশা করে উক্ত দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ মোহেব্বুল্লাহ খান এর এসব দুর্নীতি বন্ধ হবে। তা নাহলে চাঁদপুর জেলার প্রাক্তন আওয়ামীলীগ সভাপতির প্রতিষ্ঠিত উক্ত কলেজটি একটি দুর্নীতিপরায়ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবেই কলংকের বোঝা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে এবং দুর্নীতির বিরোদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘যিরো ট্রলারেন্সনীতি’ ও দুর্নীতি মুক্ত শিক্ষাঙ্গন গড়ার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উক্ত কলেজের দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে উক্ত কলেজটি দুর্নীতির পক্ষে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে। তাই মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে বিনীত অনুরোধ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তদন্তে প্রমাণিত আপনার জেলার উক্ত কলেজের দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ খানের বিরুদ্ধে জরুরি ভিত্তিতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ‘যিরো ট্রলারেন্স’ নীতিকে বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবেন এটাই ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং এলাকাবাসীর একান্ত প্রত্যাশা।

নিউজটি শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *